# বেজী দিয়াৰ পিছত কিয় তেজ ওলাইছে?
যে কোনো নিয়মিত কামৰ পিছত শৰীৰ কিছু ক্লান্ত হয় যাওয়া স্বাভাবিক। বেজী থাকাৰ আৰু তেজ ওলাই যাওয়াৰ পিছতও একেই কথা। সকলেই এই ধাৰণা করেন যে এটাই স্বাভাবিক। আসলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই অবস্থাটা স্বাভাবিক নয়। এই সমস্যাটাকে বলা হয় পোস্ট কোইটাল পেইন। বেজী দিয়াৰ পিছত এই সমস্যা হয় কেন তা বোঝা এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেজীৰ আগে আৰু পিছত কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল দিলে, এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
বেজী দিয়াৰ পিছত যদি শৰীৰ তেজস্ক্রিয় হয়, তাহলে এর কারণ হতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা। নিজেরে ঠিক রাখার এই লক্ষণের উপেক্ষা করা উচিত নয়। বেজী দিয়াৰ আগে ও পিছত কিছু বিষয় মনে রাখলে এই সমস্যা থাকে দূর।
বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে কেন?
# 1. সংক্রমণ
বেজী দীয়াৰ পিছত পেলভিক এলাকা ও যোনিপথ এলাকায় ব্যথার সমস্যা দেখা দিতে পারে। (Pelvic inflammatory disease, PID) সংক্রমণের জন্য পেলভিক এলাকার টিস্যুতে তরল এবং পুঁজ জমতে পারে। তাই বেজী দিয়াৰ পিছত পেলভিক এলাকায় ব্যথা হতে পারে। তবে, সংক্রমণের যদি ব্যথা গুরুতর হয়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
# 2. সার্ভিকাল এ্যাক্টোপিয়া
সার্ভিকাল এ্যাক্টোপিয়া হল এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার জরায়ু মুখের গ্রন্থিগুলি আপনার যোনি মুখে চলে আসে। ফলে, বেজী দিয়াৰ পিছত যোনি মুখে ব্যথা এবং জ্বালাপোড়া অনুভব হতে পারে।
# 3. ফাইব্রোইড
গर्भाशय में विकसित होने वाले ये छोटे, मांसल ट्यूमर अक्सर हानिरहित होते हैं, लेकिन वे बेज़ के बाद दर्द का कारण बन सकते हैं। यदि आपको एंडोमेट्रियोसिस है, तो आपकी गर्भाशय की परत आपकी गर्भाशय के बाहर के क्षेत्रों में बढ़ सकती है।
# 4. অ্যাডেনোমায়োসিস
এই স্বাস্থ্যগত সমস্যায়, গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরের টিস্যুগুলি গর্ভাশয়ের দেওয়ালে বাড়তে শুরু করে। এর ফলে বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইতে পারে।
# 5. এন্ডোমেট্রিওসিস
এন্ডোমেট্রিওসিস একটি অবস্থা যা গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরের টিস্যুগুলি গর্ভাশয়ের বাইরে বাড়তে শুরু করে। এই সমস্যায় বেজী দিয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হয়।
বেজী দেয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হলে কী করবেন?
# 1. বিশ্রাম নিন:
বেজী দিয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হলে কিছু সময় বিশ্রাম নিতে হবে। তাতে ব্যথা কিছুটা কমে যাবে।
# 2. ওষুধ খাবেন:
কিছু ওষুধ যেমন অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ওষুধ ব্যথা কমাতে সহায়তা করতে পারে।
# 3. আইস প্যাক ব্যবহার করুন:
বেজী দিয়াৰ পিছত কয়েক মিনিট ব্যথাযুক্ত স্থানে আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এতে ব্যথা কমবে।
# 4. স্বাস্থ্যকর খাবার খান:
বেজী দিয়াৰ পিছত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত।
# 5. ডাক্তারের পরামর্শ নিন:
বেজী দিয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হওয়া সমস্যা কমছে না, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
বেজী দিয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হওয়া রোধ করতে কি কি করতে হবে?
* ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় মনোযোগ দাও:
বেজী দিয়াৰ আগে ও পিছত ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় মনোযোগ দিতে হবে। তা না হলে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
* লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন:
বেজী দিয়াৰ জন্য মহিলাদের যোনিশুষ্কতার সমস্যা থাকে। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।
* সঠিক কন্ডম মানের ব্যবহার করুন:
বেজী দিয়াৰ সময় সঠিক কন্ডম মানের ব্যবহার করতে হবে।
* বেজী দেয়ার পদ্ধতি মেনে চলুন:
বেজী দেয়াৰ সময় লম্বা সময় ধরে বা বেশি চাপ দিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না।
* সুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক:
বেজী দেয়াৰ সময় সুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক করুন। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে।
শেষকথা
বেজী দিয়াৰ পিছত শরীর তেজস্ক্রিয় হওয়া কোনো অস্বাভাবিক বিষয় নয়। এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা সহ্য করার মত না হয়, তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সম্পর্কিত প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
1. বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে?
* উত্তর: হ্যাঁ, এটা সম্ভব.
2. বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছের কারণ কি?
* উত্তর: এর কারণ হতে পারে সংক্রমণ, সার্ভিকাল এ্যাক্টোপিয়া, ফাইব্রোইড, অ্যাডেনোমায়োসিস বা এন্ডোমেট্রিওসিস।
3. বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যা কীভাবে রোধ করতে পারি?
* উত্তর: বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যা রোধ করতে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় মনোযোগ দাও, লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন, সঠিক কন্ডম মানের ব্যবহার করুন, বেজী দেয়ার পদ্ধতি মেনে চলুন ও সুরক্ষিত যৌন সম্পর্ক করুন।
4. বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যায় ভুগছি, কি করব?
* উত্তর: বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে আপনার উচিত একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা।
5. বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যার জন্য কোন ওষুধ খেতে হবে?
* উত্তর: বেজী দিয়াৰ পিছত তেজ ওলাইছে সমস্যার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ওষুধ খেতে পারেন।